সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সমসাময়িক ঘটনা

সমসাময়িক ঘটনা...

মসজিদে নামাজ বন্ধ হাওয়ার পরে এলাকাই নানা রকমের সমালোচনা হচ্ছে। এলাকার কুখ্যাত শিবিরের বড় ভাই তো সেদিন রাগে দুঃখে বলেই দিছে মসজিদের আর দরকার নাই বন্ধ করে দেন মসজিদ। এলাকার এই বড় ভয়ের দুঃখ দেখে আমারও মন টা খারাপ হয়ে গেলো। ব্যাচারা তো আর সেখানে বসে জিহাদের পরিকল্পনা করতে পারবেনা। ভারতীয় নায়িকাদের গনিমতের মাল হিসেবে পাওয়ার জন্য দুয়া মুনাজাত করতে পারবেনা। এই ইন্ডিয়ান গনিমতের মালের জন্য বড় ভয়ের আমি কতো কান্নাকাটি করতে দেখেছি। মাঝে মাঝে তো আমি আবাক হয়ে যেতাম ভাইরে দেখে, বাড়ি একটা বউ থাকার পরেও কিভাবে আল্লার কাছে গনিমতের মালের জন্য কান্দে।

যাই হোক বিষয় ওটা ছিল না বিষয় ছিল মসজিদ বন্ধের পর ওই বড় ভায়ের সাথে দেখা করে আমি বল্লাম ভাই চিন্তা টেনসন করেন না। মসজিদ আবার খুলবে। আর না খুল্লেই বা কি আল্লা তো বলেই দিছে মুমিনদের জন্য সব স্থান মসজিদ। আপনে বাড়ি নামাজ পড়বেন।

ভাই আমার কানের কাছে এসে নিরবে একটাই কথা বলল 'সজিব তুমি কি মানো ইসলামে ছোঁয়াছে বলে কোন রোগ নেই! আরে কি যে বলেন ভাই আমার মতো খাঁটি মসুলমান এইডা মানবেনা। করোনা ভয়ে মসজিদ বন্ধ এই জালেম সরকার করলেও কোন ব্যাপার না। এই রোগ মুসলিমদের জন্য না। ভাই তো আমার এই কথা শুনে আরো হতচকিয়ে গেল। মুখটা গুমড়া করে বলল "কি বলো সজিব এই রোগ বেধর্মীদের জন্য'; তাই হয় নাকি 'আমি যে স্বাদ করে বসে আছি গাজওয়াতুন হিন্দ হবে আমি জিহাদ করবো ভারতীয় নায়িকাদের গনিমতের মাল হিসেবে পাবো সহবত করবো। এখন যদি আল্লার এই রোগে সব ইহুদি নাসারা মরে যাই তাহলে আমার স্বাদ স্বাপ্ন সব ভেসে যাবে।

এই ভাবে তো ভাবিনি বড় ভাই বড্ড দুচিন্তাই ফেলে দিলো..

লিখেছেন : সজিব হোসেন

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কুরআনের ভুল ও অযৌক্তিকতা-প্রথম পর্ব

কুরআনের ভুল ও অযৌক্তিকতা- সুরা ফাতিহা(সম্পূর্ণ একসাথে) সবার যৌক্তিক সমালোচনা,সংশোধনী আশা করছি! . প্রসঙ্গ:বিসমিল্লায় গলদ প্রশ্ন: ১.কুরআন আল্লাহর কথা হলে এটাও কি আল্লাহর কথা? নাকি এটা কুরআনের অংশই নয়? ২.এটা কি সুরা ফাতিহার অংশ নাকি অংশ নয়? ৩. আল্লাহ কি আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করেন? নাকি আল্লাহ তার আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করেন? ৪.দয়াময় ও পরম দয়ালু বলে কেউ কি নিজের ঢোল নিজে পেটায়? আল্লাহ এভাবে নিজের ঢোল পেটাচ্ছেন কেন? ৫.কেউ কথা বললে কি নিজের পরিচয় না দিয়েই বলে রহিম/করিমের নামে শুরু করছি? আল্লাহ কেন এমনভাবে নিজের পরিচয় না দিয়েই আল্লাহর নামে শুরু করছেন? ৬.এ আয়াতটি কুরআনের প্রথমে আসবে কেন? যখন আল্লাহ সুরা আলাকের মাধ্যমে কুরআন নাযিল শুরু করেছেন। বক্তৃতার মাঝে এসে কি কেউ বলে আমি শুরু করছি? ৭.সাধারণত কাউকে কিছু শিক্ষা দিলে,"বলো,পরম করুনাময়ের নামে শুরু করছি" এভাবে শিক্ষা দিতে হয়। এ আয়াত এভাবে নয় কেন? নাকি এটা নবীর কথা? ৮.আল্লাহ কে সে পরিচয় না দিয়েই তার নামে শুরু করলে তো প্রথমেই আপনাকে অন্ধবিশ্বাসী হতে হচ্ছে! না জেনেই কারো নামে প্রশংসা করা কতটা যৌক্তিক? ৯.যদি মেনে নিই দয়াময় ও পরম দয়...

ফেসবুকে বকরবকর

প্রতি বছর বইমেলা আসার আগে একটা চিন্তা মাথায় আসে ইস এবার যদি আমার কোন বই প্রকাশ হইতো? পরক্ষনেই মনে হয় এইসব কঠিন কর্ম আমার জন্য নয়। বই লেখে তো জ্ঞানী গুনি রা আমি যা পারি সেই লেখকের কঠোর সমালোচনা করতে। শুধু লেখকের লেখার তো একদমই নয়। কেননা আমি তো আসলে বই পড়ি না। আমি শুধু খোঁজ রাখি লেখক কার সাথে কতবার শুয়েছে? লেখক আমার ধর্ম, জাতীয়তা নিয়ে,আমার প্রিয় দল নিয়ে আমার এবং আমার পছন্দের জিনিস গুলো নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করেছে কিনা সেই সব বিষয় গুলো। আসলে দাদা আমি তো বই পড়ি না লেখার সমালোচনা কিভাবে করবো? তবে বই পড়া নিয়ে নিচের কয়েক লাইন পড়ে দেখা যেতে পারে। বই পড়া থেকে আনন্দ, বুদ্ধি ও সক্ষমতা অর্জিত হয়। বই পড়তে হয় একাকী এবং তাতে অবসর ভরে ওঠে নির্মল আনন্দে, বুদ্ধি আসে বইয়ের কথামালা থেকে, আর সক্ষমতা আসে গ্রন্থগত বিদ্যার সঙ্গে বিষয়বুদ্ধির সংশ্লেষে। একজন বিশেষজ্ঞ খুঁটিনাটি বিষয় ভালোভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করতে পারেন। তিনি তথ্য ও তত্ত্বে পারঙ্গম। তবে বই পড়ায় অত্যধিক সময় ব্যয় করলে শরীর-মনে আলসেমি ভর করতে পারে। বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মে মাত্রাতিরিক্ত ব্যাপৃত হলে মেকিত্ব তৈরি হতে পারে এবং অতিমাত্রায় নিয়মচর্চা ...

কুলীন ব্রাহ্মণের কন্যা, বিবাহ বণিক এবং রবার্ট মার্টনের সমাজচিন্তা

ব্রাহ্মণদের বহুবিবাহ প্রথার জন্য প্রায় উনবিংশ শতক পর্যন্ত বাঙ্গালী সমাজ কলঙ্কিত ছিল। পশ্চিমবঙ্গ বা রাঢ় অঞ্চলে ব্রাহ্মণের অভাবের কারণে একাদশ শতাব্দীতে উত্তর ভারতের কনৌজ থেকে বাংলায় ৫টি গোত্রের ব্রাহ্মণকে আনা হয় বলে জানা যায়। এরাই বাংলায় কুলীন ব্রাহ্মণ নামে পরিচিত হয়। এই কুলীন ব্রাহ্মণদের পদবী ছিল বন্দ্যোপাধ্যায়,  গঙ্গোপাধ্যায়, চট্টোপাধ্যায়, মুখোপাধ্যায় ও ভট্টাচার্য। সামাজিক মর্যাদায় এই কু্লীন ব্রাহ্মণদের মর্যাদা সমাজের অন্যদের চাইতে, এমনকি অন্যান্য ব্রাহ্মণদের চাইতেও উপরে ছিল। মধ্যযুগে বাংলায় আসার পর, এদের বিবাহের যে প্রচলিত নিয়ম তৈরি হয় তা হল, একজন পুরুষ কুলীন ব্রাহ্মণ কুলীন বা অকুলীন যেকোন ব্রাহ্মণ বংশেই বিয়ে করতে পারবেন, কিন্তু কুলীন ব্রাহ্মণ কন্যার বিয়ে হবে কেবলমাত্র কুলীন বংশেই (যদি কুলীন কন্য কুলীন বংশের বাইরের কাউকে বিয়ে করত তবে তার পিতা কৌলিন্য হারাতো)। তো, কুলীনদের মধ্যে নারী ও পুরুষের এই বৈবাহিক বৈষম্যের ফলাফল কী হতে পারে, তা সহজেই অনুমান করা যায়। দেখা গেল, কুলীন ব্রাহ্মণ কন্যাদের জন্য পাত্র পাওয়া যায় না। কুলীন পুরুষেরা কুলীন পাত্রী না পেলে ঠিকই অকুলীন কন্যাকে বি...