সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মন্দির ও মসজিদ

‘মারো শালা যবনদের!’ ‘মারো শালা কাফেরদের!’ – আবার হিন্দু মুসলমানি কাণ্ড বাধিয়া গিয়াছে। প্রথমে কথা-কাটাকাটি, তারপর মাথা-ফাটাফাটি আরম্ভ হইয়া গেল। আল্লার এবং মা কালীর ‘প্রেস্টিজ’ রক্ষার জন্য যাহারা এতক্ষণ মাতাল হইয়া চিৎকার করিতেছিল তাহারাই যখন মার খাইয়া পড়িয়া যাইতে লাগিল, দেখিলাম – তখন আর তাহারা আল্লা মিয়া বা কালী ঠাকুরানির নাম লইতেছে না। হিন্দু-মুসলমান পাশাপাশি পড়িয়া থাকিয়া এক ভাষায় আর্তনাদ করিতেছে, – ‘বাবা গো, মা গো!’ – মাতৃপরিত্যক্ত দুটি বিভিন্ন ধর্মের শিশু যেমন করিয়া এক স্বরে কাঁদিয়া তাহাদের মাকে ডাকে!দেখিলাম, হত-আহতদের ক্রন্দনে মসজিদ টলিল না, মন্দিরের পাষাণ দেবতা সাড়া দিল না। শুধু নির্বোধ মানুষের রক্তে তাহাদের বেদি চিরকলঙ্কিত হইয়া রহিল।মন্দির-মসজিদের ললাটে লেখা এই রক্তকলঙ্ক-রেখা কে মুছিয়া ফেলিবে, বীর? ভবিষ্যৎ তাহার জন্য প্রস্তুত হইতেছে! সেই রুদ্র আসিতেছেন, যিনি ধর্ম-মাতালদের আড্ডা ওই মন্দির-মসজিদ-গির্জা ভাঙিয়া সকল মানুষকে এক আকাশের গম্বুজ-তলে লইয়া আসিবেন।জানি, স্রষ্টার আপনি-মোড়ল ‘প্রাইভেট সেক্রেটারি’রা হ্যাট খুলিয়া, টুপি তুলিয়া, টিকি নাচাইয়া আমায় তাড়না করিবে, তবু ইহাদের পতন হইবে। ইহার...

যেখানে জিতে যায় একজন....

আমাদের সেই নবযৌবনা বট গাছটা বুড়ো হয়ে গেছে জানো। যে গাছটাতে আমি তুমি নিজেদের অজান্তেই প্রতিনিয়ত ভালোবাসা আর প্রেম দিয়ে আগলে রাখতাম সেই বট গাছটা। তারপর কি হলো একদিন ঝড় এলো প্রচন্ড বাতাসে আমি গাছের গোড়ায় বসেই আছি ওদিকে তুমি ফল খেতে আসা পাখির প্রেমে পড়ে গেছো। ঝড় থেমে যাবার পর তুমি যখন বুঝলে পাখি শুধু ফল খেতে এসেছিলো তখন তুমি আমাকে খুজতে বেরিয়ে পড়লে তেপান্তর। ততদিনে আমি গ্রামের রাস্তার ধুলার সাথে মিসে গেছি। তুমি হইতো তোমার কাছে রাখা গচ্ছিত ভালোবাসার শেষ টুকুও ফুরিয়ে ফেলেছো। আর এদিকে আমার রক্ত কনাতে ভালোবাসা ছাড়িয়ে বিষ হয়ে গেছে।  এই যে দেখো তুমি এখনো আমাদের বট গাছটাকে নবযৌবনা ভাবো অথচ সে আমাকে বলেছে তার সময় শেষ। তার সাথে আমাকেও নিয়ে যাবে বলে জেদ ধরে আছে। তুমি যখন বট গাছের পাশ দিয়ে চলা ধুলোর পথে ফল খেতে আসা পাখির সাথে মানের আনন্দ নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলে তখন বটবৃক্ষ আমাকে জোর করে চুক্তি করিয়ে নিয়েছে যে তোমার চটিজুতার ধুলা হয়ে থাকতে। তুমি আবার এসেছো চুক্তি করতে সন্ধি করতে জিবনের উচ্চ শিখরে পৌছাতে। এদিকে আমি আমার চুক্তির শর্ত পুরোন করার জন্য তিব্রতা বোধ করছি। তুমি জানো ফল খেতে হইতো এখনো অনেক ফিঙ...

বাংলাদেশের দুর্গাপুজায় হামলা একটি প্রি-প্লাণ কেন?

খেয়াল করুন, চাঁদপুরে যারা হিন্দু বাড়িতে হামলা করেছে তারা আগে আজান দিয়েছে। তারপর সেখানে তারা হামলা চালায়। জীবন্ত আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিতেই সেদিন বাড়িঘরে আগুন জ্বালায়। এটি কিন্তু একশত ভাগ ইসলামী তড়িকায় ঘটেছে। মদিনায় ইহুদীদে পল্লীগুলিতে অতর্কিত হামলা চালানোর সময়ও এভাবে আজান দেয়া হতো। অথচ এখন একদল মাওলানা বেরিয়েছে তারা বলছে হিন্দুদের পুজায় হামলা চালানো নবীজির আদর্শের বরখেলাফ! এক গ্রুপ হামলা চলাবে আরেক গ্রুপ এসে বলবে, এসব তো শান্তির ধর্ম অনুমোদন করে না! তাকিয়াবাজ মাওলানারা মাঠে নেমে গেছে। ইসলামে এটা নেই, ওটা নেই বলছে আর সেসব ইসলাম না জানা মডারেট মুসলমানরা শেয়ার করছে। এইসব তাকিয়াবাজ মোল্লারা কিন্তু জানেন আনাস ইবনে মালিক স্বয়ং বর্ণনা করেছেন, ‘আমরা খায়বারে পৌঁছে দেখতে পেলাম সকাল বেলা খাইবারের শ্রমিকরা (ইহুদীরা) কোদাল ও ঝুড়ি নিয়ে দিনের কাজে বেরুচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ ও তাঁর বাহিনিকে দেখে তারা সবিস্ময়ে বলে উঠলো, “সর্বনাশ! মুহাম্মাদ তার বাহিনীসহ হাজির হয়েছে দেখছি”- বলেই তারা পালিয়ে পেছনে ফিরে যেতে লাগলো। সে দৃশ্য দেখে রাসূলুল্লাহ বললেন, “আল্লাহু আকবার! খাইবারের পতন ঘটেছে। আমরা...

এক ‘মানবতাবাদী নিরপেক্ষ মুসলমানিত্ববাদী’ মিডিয়া কর্মীর সঙ্গে আলাপ

-দেখলেন মুসলমানরা কি বোকা, কেমন করে হিন্দুত্ববাদীদের ফাঁদে পা দিলো! মাঝখান থেকে তাদের চারজন ছেলে শহীদ হলো! -বলছেন হনুমানের পায়ের কাছে কুরআন রাখা পুরোটাই হিন্দুত্ববাদীদের কাজ? এটা করে তারাই মুসলমানদের উত্তেজিত করে দিয়েছে? -এই সহজ জিনিসটুকু না বুঝলে এই ইস্যুতে আপনাদের কথা না বলাই ভালো বুঝলেন? এখানে মৌলবাদ দেখাতে পারলে ভারতে মোদি অমিত শাহদের লাভ। -তাহলে তো ভাই নরেন্দ্র মোদি অমিত শাহও আহমদ শফি, জামাত ইসলাম, চরমোনাই পীরদের হাতে তৈরি? ভারতের ইস্যু ছাড়া কি বাইতুল মোকারর থেকে কোন উত্তেজিত মিছিল বের করা সম্ভব? চীন যে কুরআন নিষিদ্ধ করল, মুসলমাদের মসজিদ গুড়িয়ে দিয়ে পাবলিক টয়লেট বানালো সেটা নিয়ে ইসলামবাদীদের তো আন্দোলন হয় না। তার মানে ভারতে যে গরুর মাংস খেলে উত্তর প্রদেশে কিছু ঘটনা ঘটেছে তার পিছনে বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনকারীদের গভীর হাত রয়েছে? -হা হা ভাই, এই জন্য তো বললাম, এই ইস্যুতে আপনাদের কথা না বলাই ভালো যদি সাধারণ জিনিসগুলি না বুঝেন। -আমি বুঝতে চাই ভাই। ভারতের ষড়যন্ত্রের বিষয়টা বুঝতে চাই। বুঝতে চাই তসলিমা নাসরিনকে আপনারা বলেন উনি বিজেপির টাকা খেয়ে লজ্জ্বা উপন্যাস লিখেছিলেন যাতে...

ধর্মকর্ম গোল্লাই যাক

ধর্মকর্ম গোল্লাই যাক ওসব নিয়ে আর লিখব না। এখন গাছ নিয়ে লিখব। গাছ একটা প্রযোজনীও উদ্ভিদ যা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অক্রিজেন দেয়। খাদ্য দেয় ছায়া দেয়। বেসি করে গাছ লাগাতে হবে। নইতো দেশটা মরুভূমিতে পরিনতি হবে। -হোক মরুভূমি। মরুভূমির দেশে আখেরি নবি বিশ্বনবী জন্মেছিল। মরুভূমি আমাদের ইসলামের আংশ আমাদের সুন্নত। বেসি কথা বল্লে কল্লা ফেলে দেবো। তাহলে চাঁদ নিয়ে লিখব। কি সুন্দর অপরূপ চাঁদ রাতের আকাশে দেখলেই মন জুড়িয়ে যায়। তাছাড়া চাঁদের বিষয়ে বিজ্ঞানিরা এখন অনেক তথ্যা দিয়েছে। কিছু বছর আগে নাসার বিজ্ঞানিরা চন্দ্রবিজয়ও করেছে। -হ্যাঁ তারা কিছু দিন আগে চন্দ্রবিজয় করেছে।  কিন্তু আখেরি নবী ১৪০০ বছর আগে চাঁদকে দুই ভাগে ভাগ করে আবার জোড়া লাগিয়েছে। তাছাড়া তিনি বোরাকে করে চাঁদে, সাত আসমানে সব জাগায় ঘুরে এসেছে। কি ঠিক তো? নয়ত চাপাতি আর কল্লা বুঝলে এটাই আসল ইসলাম। তবে আর কি! আমি কবিতা লিখব। প্রেমের কবিতা,কষ্টের কবিতা,হাসির কবিতা,বড়দের ছোটদের নানা রঙের কবিতা। -হারাম হারাম হারাম কবিতা হারাম। কবিতা লেখার অধিকার আছে একমাত্র বিশ্বকবি কুরআনের পাখি নবি মুহাম্মদের। কবিতা লেখা যাবে না। কবিতা লেখলে কল্লা ফেলে দেবো। ...

দৈনিক বিদ্বেষ

গত ৩ই সেপ্টেম্বর জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের একটা খবরে দেখলাম শিরোনাম করেছে "অপূর্বর সাবেক স্ত্রীর বিয়ে"। বিষয়টা ভালো করে বুঝেন। একটা মানুষ একটা মেয়ে বিয়ে করছে সেখানে তাকে খবরের শিরোনাম হতে হয়েছে নিজের নামে নয় বরং ২ বছর আগে ডিবোর্স নেওয়া অপূর্বরের নামে। এই থেকে কি বোঝা যায় একটু ব্যাখা করুন তো! পিতৃতান্ত্রিক সমাজে পিতার পরিচয়ে খুব গুরুত্বপূর্ন। মায়ের নিজের কোন পরিচয় থাকতে নেই। কন্যারা তারা পুরুষের কন্যা, পুরুষের বোন পুরুষের স্ত্রী, পুরুষের মা, এ-ই তাদের পরিচয়। এর বাইরে তাদের পরিচয় থাকতে নেই। কেন নেই কিসের কারনে নেই তা হইতো সবাই জানি কিন্তু বলিনা কারন নিজেও তো পুরুষ। মেয়েদের নিয়ে বল্লে তো লোকে বলবে নারী ঘেষা নারীবাদীর ইত্যাদি বলবে কি দরকার ওসবের। পিতৃতন্ত্র একসময় মেয়েদের ঘরের বাইরে বের হতে দিত না। বাল্যবিবাহ, সতীচ্ছদে, সতীত্বে, কুমাররীত্বে তাদের ছিল গভীর বিশ্বাস। মেয়েদের পড়ালেখা, ঘরের বাইরে গিয়ে চাকুরি করা ট া কা পয়সা রোজগার করা ছিল ঘোর বিরোধী। একসময় পুরুষতন্ত্রের কর্তারা যখন শিক্ষিতা শয্যাসঙ্গিনী কামনা করলো, তখন স্কুলে যাওয়া মেয়েদের জন্য বৈধ করা হলো। কতটুকু লেখাপড়া করবে...

বিকৃত যৌন আচরণ বা সেক্সুয়াল পারভার্শন

বিকৃত যৌন আচরণ বা সেক্সুয়াল পারভার্শন নিয়ে কিছু রিলাজাসেনর কথা বলি। একটা মেয়ে গোসল করছে কিংবা ড্রেস পাল্টাচ্ছে। অনেক ছেলে আছে তা লুকিয়ে লুকিয়ে সেই দৃশ্য দেখছে। ছেলেটি এতে ফিলিংস পেলেও এটি একটি বিকৃত যৌন আচরণ বা সেক্সুয়াল পারভার্শন। মেডিকেলের ভাষায় এটিকে ভয়েরিজম বলে। দুনিয়াতে এইরকম হরেক কিসিমের সেক্সুয়াল পারভার্শন আছে। অনেকে আছে ভিড়ের মধ্যে মেয়ে দেখলেই শরীর ঘেঁষার চেষ্টা করে, কিংবা কনুই দিয়ে বুক স্পর্শ করে, এটাকে বলা হয় ফ্রটিউরিজম। আবার অনেকে আছে অন্যের সামনে উলঙ্গ হলে বা নিজের যৌনাঙ্গ দেখালে ভাল লাগে। বিশেষ করে মেয়েদের হোস্টেলের আশেপাশে ইচ্ছে করে কিছু লোক প্রসাব করার ওছিলায় পেনিস দেখানোর চেষ্টা করে, এটাকে এক্সিবিশনিজম বলে। স্কুলে থাকতে একবার পাশের পাড়ায় বিচার দেখতে গিয়েছিলাম অদ্ভুত বিচার। গরু মাঠে চরছিল, এক ইয়াং ছেলে গরুর সাথে অকাম করে বসে আছে।  প্রাণীর সাথে এরূপ সেক্স করাকে বিস্টিয়ালিটি বলা হয় অনেকে আছে অন্যের পেশাব করা দেখে সেক্সুয়াল ফিলিংস পায় এটাকে বলা হয় ইউরোল্যাগনিয়া। মা বাচ্চাকে দুধ খাওয়াচ্ছে, সেটি দেখে যাদের সেক্সুয়াল ফিলিংস জাগে সেটি হল গ্যালাকটোফিলিয়া। শুধু তাই নয়, মৃত ন...

গোঁজমিল গ্রান্থে ভুল প্রমানিত

সম্প্রতি দুবাইয়ের এই কৃত্রিম বৃষ্টিপাত আবারো প্রমাণ করল কোরআন ভুল এবং মানুষ রচিত।কোরআনের আয়াত আরো একবার মিথ্যা প্রমাণিত হলো। কোরআনের আয়াতগুলো দেখে নেওয়া যাক। সূরা আল-ওয়াকিয়াহ (الواقعة), আয়াত: ৬৮ أَفَرَءَيْتُمُ ٱلْمَآءَ ٱلَّذِى تَشْرَبُونَ অর্থঃ তোমরা যে পানি পান কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি? সূরা আল-ওয়াকিয়াহ (الواقعة), আয়াত: ৬৯ ءَأَنتُمْ أَنزَلْتُمُوهُ مِنَ ٱلْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ ٱلْمُنزِلُونَ অর্থঃ তোমরা তা মেঘ থেকে নামিয়ে আন, না আমি বর্ষন করি? সূরা আল-ওয়াকিয়াহ (الواقعة), আয়াত: ৭০ لَوْ نَشَآءُ جَعَلْنَٰهُ أُجَاجًا فَلَوْلَا تَشْكُرُونَ অর্থঃ আমি ইচ্ছা করলে তাকে লোনা করে দিতে পারি, অতঃপর তোমরা কেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না? ''তোমরা তা মেঘ থেকে নামিয়ে আন, না আমি বর্ষন করি?'' কতো হাস্যকর ব্যাপার!কুরআনের এই আয়াত কিনা ভুল প্রমাণ করলো একটা মুসলিম রাষ্ট্র!  আরো একটা আয়াত নিচে দিচ্ছি। সূরা লোক্‌মান (لقمان), আয়াত: ৩৪ إِنَّ ٱللَّهَ عِندَهُۥ عِلْمُ ٱلسَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ ٱلْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِى ٱلْأَرْحَامِ وَمَا تَدْرِى نَفْسٌ مَّاذَا تَكْسِبُ غَدًا وَمَا تَدْرِى ن...

ফারাও ফেরাউন ছবি ও অনন্য

ফেরআউন বা ফিরআউন-এসব একক কোনো ব্যক্তির নাম নয়। যুগ যুগ ধরে প্রাচীন মিসরকে রাজত্ব করা শাসকদের নাম তারা ‘ফারাও’ হিসেবে পরিচিত। প্রাচীন মিসরীয় বিভিন্ন সভ্যতায় তাদের স্থিতি ছিল। ফেরাউনের নাম শোনোনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বাংলাদেশের কেউ কারো প্রতি জুলম করলে নির্যাতনকারীকে ‘ফেরাউন’র সঙ্গে তুলনা করা হয়। কারো ঔদ্ধত্য প্রকাশ পেলে তাকেও ফেরাউনের কথা বলে সমোদ্ধন করা হয়। পিরামিডের কারণেও তারা বিখ্যাত। প্রগৈতিহাস সময় কালে ফারাও বা ফেরআউনরা এসব নির্মাণ করেছিল। এখানে সংক্ষেপে ফেরাউনদের পরিচয় তুলে ধরা হলো (ক.) আমালেকা জাতির রাজার খেতাব ছিল ফেরাউন।খ. মিশরের অধিবাসী কিবতীদের রাজার খেতাবও ছিল ফেরাউন।(গ.)মুসা নবীর সময়ের (কিবতীদের শাসক) ফিরাউনের নাম নিয়ে মতভেদ রয়েছে-১. মুসা এমন এক ফেরাউনের আমলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন- যিনি রামেসিস ও পিথম নগরী নির্মাণ করেন। সে-ই হচ্ছেন দ্বিতীয় রামেসিস।২. কেউ কেউ বলেন মুসা মাদিয়ানে অবস্থানকালে ক্ষমতাসীন ফেরাউনের (অর্থাৎ দ্বিতীয় রামেসিসের) মৃত্যু ঘটে এবং মুসার জীবনের পরবর্তী ঘটনাবলী সংঘটিত হয় দ্বিতীয় রামেসিসের উত্তরাধিকারী মারনেপতাহর রাজত্বকালে। নিচে যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন...

করোনা, গুজব ও মোল্লা

ছোটবেলা থেকে একটা জিনিস শিখে এসেছি আমাদের সমাজের সবচেয়ে গণ্যমান্য সম্মানীয় ব্যাক্তিবর্গ হলেন সামাজের আলেমগন। তাদের সাফেদ পাঞ্জাবি সাদা লাল লম্বা লম্বা দাঁড়ি পথের মদ্ধে কাউকে দেখলে সালাম পাওয়ার একমাত্র যোগ্য তাদেরি থেকে থাকে। সমাজ রাষ্ট্রে এদের যে কারো মতামতকে প্রধান্য দেওয়া হয় নির্রদ্বীধায়। বিচার আচার কিংবা সালিসে তাদের মতমতাকে মেনে নেয় এক কথাই। বলা যায় আইন শাষন থাকার পরেও পুলিসের ওসি পর্যন্ত আলেমের সাফেদ দাঁড়ি ওলার কথা মেনে নেয় এক বাক্যে। এদেশে সমাজে প্রচলনি তেমনটা আছে যে গণ্যমান্য ব্যাক্তি কখনো ভুল বলেনা তাদের ধর্মীও জ্ঞান বেসী থাকাই তাদের কথা মানা আমাদের জন্য মঙ্গল জনক। কোন কোন সময় তো দেশের প্রধানমন্ত্রী বা সংসদের কর্মকতার ডাকে সাড়া না পেলেও এই আলেম সমাজের ডাকে সাড়া দিয়ে অনেকে রাজপথে নামে গুলি খাই জিবন দিয়ে দেয় এগুলা স্রেফ আবেগের কারনে, মোহের কারনে। কিন্তু আমাদের আলেম সমাজ তথা সাফেদ দাঁড়ি ওলা ব্যাক্তিগন এই ক্ষমতার সত ব্যাবহার করার থেকে ক্ষমতাকে অপব্যবহার আর উপভোগই বেসি করে। করোনা ঘটিত দূযোগে যখন প্রতিনিয়ত মানুষ মারা যাচ্ছে তখন এদেশের শীত কালিন সিজেনাল কুত্তার মতো ঘেউ করতে থাকা এই শ্...

Education Business

আইনস্টাইন একাবার বলেছিলেন 'জ্ঞানের চেয়ে বেসি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কল্পনাশক্তি। তিনি শিক্ষার উদ্দেশ্য হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন প্রত্যেক ব্যাক্তির মধ্যে যে অন্তর্নিহিত সৃজনী ক্ষমতা কল্পনাশক্তি ও সুপ্ত প্রতিভা থাকে তার বিকাশ ঘটা। আইনস্টাইন যে ধরনের শিক্ষাব্যাবস্থা, অবকাঠামো, দক্ষ শিক্ষক ও প্রযোজন বোধ করেছিলেন তা আমাদের নেই, সেই কথা বলাই বাহুল্য। ব্রিটিস ঔপনিবেসিক সরকার কেরানি তৈরির জন্য যে শিক্ষাব্যাবস্থার প্রচলন করেছিলেন সেই শিক্ষাব্যাবস্থা ও দর্শন আমাদের এখনো কায়েম আছে। বিশ শতাব্দীর প্রভাবশালী দার্শনিক মিশেল ফুকোর বিশ্লেসণ অনুযায়ী, বিদ্যালয়, সামরিক বাহিনী এবং কারাগার হলো বর্তমান সমাজের ও রাস্ট্রের কেন্দ্রীয় সংগঠন। এবং এসব সমাজ ও রাষ্ট্রে সংগঠনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ব্যাক্তির ওপর নজরদারি চালানো এবং তাকে দাস বানিয়ে রাখা। এসব প্রতিষ্টানের সহযোগীতায় প্রচলিত শিক্ষার যান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ভয় দেখিয়ে মানুষের বা বাক্তির সৃজনীশক্তি নিঃশেষিত করা এবং তার দেহ এবং চিন্তা চেতনাকে পোষ মানানো। আর এই ভাবে রাষ্ট্র সংগঠন অধিকাংশ ব্যাক্তি হয়ে উঠে রাষ্ট্রের একান্ত বাধ্যগত প্রজা-যা রাষ্ট্রচালকদের খুব...

গনতন্ত্র বনাম সেনাতন্ত্র

মিয়ানমারে মানুষ মরছে গনতন্ত্রের জন্য এরকম সারা পৃথীবিতে মরছে মানুষ। কোথাও গনতন্ত্র কোথাও রাজতন্ত্র আবার কোথাও কথিত সমাজতন্ত্রের নামে। মরছে কিন্তু সেই মানুষগুলোই। খবরের কাগজে দেখাচ্ছে মিয়ানমারে ৩৮ জন মানুষ মরছে সামরিক শাষকের হাতে। কিন্তু আসল খবর কি কেউ জানে? সেনাবাহিনী কি সেই খবর বাইরে আসতে দেয় নাকি কৌশলে যা ঘটছে তার নমুনার খবর প্রকাশ করে। আমি ঠিক জানিনা মিয়ানমারে কবে নাগাত গনতন্ত্র আসবে। গনতন্ত আসলেও কি সে দেশের মানুষের মুক্তি ঘটবে। বলেই রাখা ভালো স্বাধীনতা আর মুক্তি একই ব্যাপার না। যাই হোক একটা নিউজে দেখলাম মিয়ামারের সেনাবাহিনীর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বরতা দিয়ে বলছে তারা সকল অন্তর্জাতিক চাপ সহ্য করেছে যা তারা এখনো পারবে। মূলোতো চীনের সমর্থনে এসব বলছে সাথে রাশিয়াও আছে। তাহলে সব অন্তর্জাতিক চাপ টাফ এসব ভুয়া। আসল কথায় একটু পানি ছিটিয়ে দেখি বার্মায় যে মানুষ মরছে তারা কারা সেনাবাহিনী অস্ত্র গোলাবারুদ রসদ খাদ্য কোথা থেকে পাচ্ছে কিসের জোরে তারা কারো কাছে নত হচ্ছে না। চীন সময়মতো মিয়ানমারে জলবিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস, খনিজ ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রায় ৬২টি প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে।’ চীনের বর্তমান প্রেসিডেন্...

ক্যালেন্ডার বছরের হুবুহু পুনরাবৃত্তি

প্রায়ই কোন ইন্টারেস্টিং কিন্তু অসম্পূর্ণ, ডাটা বা তথ্যের ভিত্তিতে, কিছু অদ্ভুত দাবী ও সিদ্ধান্ত দেখি। আর বেশিরভাগ মানুষও কিছু শোনার পর, নিজে আর চিন্তা করতে পছন্দ করছে না ইদানীং। অবশ্য চিন্তা করলেই যে, ইন্সটান্ট কিছু টাকা পকেটে ঢুকে যায় এমন নয়, বরং ইন্সট্যান্ট শেয়ার, রিয়াক্টের মাধ্যমেই কিছু সোশিয়াল ক্যাপিটাল দেওয়া-নেওয়ার সুযোগ থাকে, তাই হয়ত, চিন্তার চেয়ে রিয়েকশনের প্রবণতাটা বেশি থাকে । . প্রতিবছর এই সময়টায়, পরবর্তী বছর নিয়ে অনেক আশাবাদ, ভবিষ্যৎবানী, অথবা ক্যালেন্ডার বিষয়ক কিছু কৌতুহল পুর্ন অবজার্ভেশন বের হয়ে আসে। এবার ক্যালেন্ডার বিষয়ক, যে অবজারভেশনটি মার্কেটে এসেছে, সেটা হচ্ছে, ১৯৭১ সালের ক্যালেন্ডার হুবুহু ২০২১ সালে রিপিট হতে যাচ্ছে। Science Bee Family গ্রুপের একটি পাবলিক পোস্ট- Science Bee Family এছাড়া আলাদাভাবেও বেশ কয়েকজন শেয়ার করছে সেইম ব্যাপারটা। . বাংগালীর ইতিহাসে, ১৯৭১ একটি বিশেষ বছর। তাই অনেকেই আকাশ থেকে পড়ছেন এটা দেখে। রিয়াকশন কিছুটা, এটা কিভাবে সম্ভব হয়ে গেলো ? হুবুহু সেম ক্যালেন্ডারের তথ্যটি সঠিক, তবে কিভাবে সম্ভব হলো বুঝতে বা বুঝাতে গিয়ে, অনেকেই কিছু ভুল সিদ্ধান্তে উপনিত...

আমরা স্বপ্ন কেন দেখি?

এক সন্ধ্যায় আমি একটা অদ্ভুত রকমের স্বপ্ন দেখি। স্বপ্নটি ছিলো রোমাঞ্চকর। বলে রাখা ভালো আমি অনেক দিন কোন স্বপ্ন দেখিনি। শেষ কবে স্বপ্ন দেখেছিলাম আমার ঠিক মনে নেই। স্বপ্নের মধ্যেই আমি বিচরণ করি অন্য রকম একটি জগতে যে জগতটা আমি কখনোই বাস্তবে দেখিনি। আমি এক অরণ্যে বিচরণ করতেছি। রাস্তার দুই পাশে সারি সারি গাছ আমি উদ্দাম এর মতো সে রাস্তা ধরে চলতেছি।। যেতে যেতে একটি উচু পাহাড়ে উঠে পড়েছি। একসময় দেখতেছি সেই উচু পাহাড় থেকে আমি নিচে পড়ে যাচ্ছি। আমি তলিয়ে যাচ্ছি নিম্ন থেকে নিম্নতরে.... ঠিক সেই মহুর্তেই আমার ঘুম ভেঙ্গে গেছে। কিন্তু স্বপ্নের সেই অদ্ভুত রেশ আমার মনে দারুন দাগ কেটে গেছে। মনের মধ্যে অন্য রকম রোমান্স এর জন্ম দিয়েছে। এরকম স্বপ্ন হয়তো আপনারও দেখেন। এই স্বপ্ন নিয়ে স্বপ্নের বিভিন্ন রকম বিষয় নিয়েই আজকের এই ফিচার। স্বপ্ন নিয়ে গবেষকরা কি বলছেন আমরা এই ফিচারটি জেনে নিবো। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে জেনে নেই স্বপ্ন সম্পর্কিত কিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা- ১- সাইকোলজিদের মতে আপনার যদি রাত্রে অনিদ্রা হয় তার মানে আপনি হয়ত অন্য কারো স্বপ্নে জীবিত ছিলেন। মানে আপনাকে নিয়ে হয়তো কেউ স্বপ্ন দ...

জ্বীন-ভুত বিষয়ক একটা লাইভ ভিডিওর রিভিউ, এবং প্রাসংগিক কিছু আলোচনা

গভীর রাতে, জংগলের ভিতরে, জ্বীন-ভুতের সাথে একেবারে মুখোমুখি ক্লোজ এনকাউন্টারের একটা ফেসবুক লাইভ ভিডিও, "Ghost Hunter Investigator" পেজ থেকে পোস্ট হয়েছে গত পরশুদিন। ভিডিওটি মাত্র ৩৬ ঘন্টার মধ্যে ৮ লক্ষ+ ভিউ, ২৮ হাজার+ রিয়েকশন, ৫০ হাজার+ কমেন্ট এবং ৫ হাজার+ শেয়ার হয়েছে। . বাকি অংশ পড়ার আগে, ভিডিওটির অল্প কিছু অংশ দেখে নিতে পারলে ভালো। সম্পুর্ন ভিডিও ১ ঘন্টা ১৪ মিনিটের। বিল্ড আপ সহ মুল ঘটনা গুলি দেখতে চাইলে, ২০-৪৫ মিনিট পর্যন্ত, আর সরাসরি জ্বীন এনকাউন্টার পার্ট থেকে শুরু করতে চাইলে, ৩৩-৪২ মিনিট পর্যন্ত। সাউন্ডসহ কথা বুঝে দেখলে ভালো। ডিসক্লেইমারঃ ১৮ বছরের নিচে অথবা বড়রা যারা একটুতেই অনেক বেশি ভয় পান, তারা এড়িয়ে যান দয়া করে, অযথা রিস্ক নিয়েন না। ভিডিওটির লিংকঃ Ghost Hunter Investigator উল্লেখিত অংশটুকু দেখা শেষ হলে, লেখার বাকি অংশ পড়ুন। কিছু প্রাসঙ্গিক আলোচনা শেষে, আমি ভিডিওটির একটা সহজ ব্যাখ্যা দিতে চাই। . অনেক প্যারানরমাল কেস স্টাডি ও পরিচিত সার্কেলে কিছু ঘটনা থেকে জানি, এগুলি প্রায় সবই মনের ভুল, মিথ্যে বা সাজানো ঘটনা, প্রতারণা। অতীতে বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে বহু জ্বীন হাজিরের ঘট...